যারা বিজনেস করতে চান তাদের আমি বলবো সেল হয় নি, লাভ হয় নি এই চিন্তায় বিজনেস শেষ করবেন না...প্লিজ অপেক্ষা করে কাজ করে যান...
দেশে এলো মহামারী করোনা । করোনার জন্য সকল অফিস ছুটি ঘোষণা করলেন রাষ্ট্র। সেই সুবাধে আমারও অফিস বন্ধ হয়ে গেল। সবার মতো ঘরে আটকা পড়লাম আমিও। অলস সময় পার করতে লাগলাম বই পড়ে, গল্প লিখে। ওহ হ্যাঁ, আপনাদেরকে
আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।
সেই প্রথমে সোড হওয়ার মাধ্যমে লিখার যে আগ্রহ আসে আমার মধ্যে, সে আগ্ৰহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, এই যে লিখার আগ্ৰহ বাড়ার কারনে আস্তে আস্তে এক্টিভ হতে থাকি ভালবাসার এই পরিবারে, এপর্যন্ত আমি অনেকবারই সোড হ
০৮/০৩/২০২৩ আজ পবিত্র শবে বরাত। হঠাৎ করে রাতে ফোন আসলো, চার বছরের ছোট বাচ্চার জন্য প্লাটিলেট দরকার। ছুটে গিয়ে ধানমন্ডি থেরাসেনিয়াম হাসপাতালে প্লাটিলেট দান সম্পন্ন করলাম। আলহামদুলিল্লাহ মোট রক্ত ও প্
আমার একান্ত নিজের আবেগ,অনুভুতির এলোমেলো, অগোছালো কথা ধর্য্য সহকারে পড়ার জন্য প্রিয় ফাউন্ডেশনের সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্য ভাই ও বোন দেরকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা। অনইচ্ছাকৃত ভুল ত্রুটির জন্য
আমি প্রথম প্রথম যখন এক বছর পরপর ঢাকা থেকে বাড়িতে যেতাম এবং বাড়ি থেকে যখন ঢাকায় আসতাম তখন মা একটা কথা বলতো তুই অনেক বরো হবি আর কাদতো আচল দিয়ে সুধু চোখ মুছতো আর বাবার কাছে দোয়া চাইলে সুধু কাদতো । #একটা
মাঝে মাঝে অভিজ্ঞতার ও প্রয়োজন পড়ে। আর অভিজ্ঞতা এমনি এমনি কেউ অর্জন করতে পারে না।তার জন্য খারাপ পরিস্থিতি সম্মুখীন হতে হয়।সেটা কিছুটা হতাশা তৈরি করে দেয় তবে তার পেছনে লুকিয়ে থাকে বিরাট একটা অভিজ্ঞতা।
প্রতিটা মানুষের জীবনে একটা গল্প থাকে হোক তা সফলতার কিংবা ব্যার্থতার আমারও তার ব্যাতিক্রম নয়। প্রানের ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে অনেক ভাই-বোনদের জীবনের গল্প পড়েছি
"আস্সালামু আলাইকুম" দুঃখ নিয়ে লিখতে লিখতে আর ভালো লাগেনা, তারপরেও লিখতে বসলেই দুঃখটা কেনো জানি বারবার ফুটে উঠে। সব সময় যে আমি ভালো তাও কিন্তু ঠিক নয়। তবে ভালো হওয়ার চেষ্টায় অনবরত। তেমনি আমার জীবন
আমার বান্ধবীর পুরো দায়িত্ব টা নেওয়ার জন্য বলি আমার বাবা-মা রাজি হয় তারা অত্যন্ত ভালো মানুষ আমার এক কথায় আমার বান্ধবীর সব দায়িত্ব নিয়ে নেয়। এবং আমাদের বাসায় নিয়ে চলে আসি আর ওর ফ্যামেলিতে যা লাগ
-জামাই যেখানে পিটায় সে জায়গা বেহেস্তে যায়।এবার যত পার মার খাও।একটি ৮-১২ বছর বয়সি মেয়ে, যার তখন বয়স খেলনা পাতিলে বালি,মাটি নিয়ে ভাত রান্না করার,জংলী সাদা ফুল দিয়ে পায়েস রান্না করার,তখন তাকে জলন্ত চুলায়
একটা বছর কারখানা দোকান ও কর্মচারী চালিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেলাম । সব বন্ধ করে দিলাম । হঠাৎ মাথার মধ্যে এলো আমি তো রান্না শেখাতাম আমি তো রান্না জানি তাহলে তো আমি ক্যাটারিং এর কাজ করতে পারি । আবার পেপারে
লালবাগ জোনের কিছু ভাই বোন শহীদ মিনারে একত্রিত হয়ে খুব সুন্দর একটা সময় কাটালাম। অনেক ধন্যবাদ লালবাগ থানা এম্বাসেডর Md. Amirul Islam ডিস্ট্রিক এম্বাসেডর Md Roni কোতোয়ালী থানা এম্বাসেডর Taslima Za
আমি সব সময় স্বপ্ন দেখি আমি একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়ার নিজের ফ্যামিলির পাশাপাশি আরো অনেক হতদরিদ্র মানুষের সাহায্য করবো গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো আরো কিছু বেকার ভাই-বোনদেরকে কর্মসংস্থানের ব
শনিবার ১৫ জুলাই এ বিশেষ প্রাপ্তি উদযাপিত হয় সারা দেশের ৬৪ জেলাসহ বিশ্বের মোট ৩২টি দেশে। এদিন ঢাকা জেলা টিমের আয়োজনে রাজধানীর কাওরান বাজারের টিসিবি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হ্যালো ঢাকা এবং উদ্যোক্তা সম্মেলন
" আইচ্ছা ঠিক আছে আমি তাইলে হাটে যাই, হাটের থেকে নিয়া আহি যা যা লাগবো " " রহিমের আব্বা আজকে তো মঙ্গলবার, আজকে তো আমগো হাট না। আমাগো হাট তো বৃহস্পতিবারে, আমনে কি ভুইলা গেছেন নি হ্যাঁ " " না আমি ভুলি ন
বাধ্য হয়ে সিদ্ধান্ত নেই যে কোনো কাজ হলেই চলবে। এদিকে একটি মুদির দোকানে ৫০০০ টাকা বাকি পরে যায়। বন্ধুবান্ধব থেকে অনেক টাকা ধার করি। তখন রুমমেটের সহায়তায় কাজ না পেয়ে রাস্তায় আইসক্রিম বিক্রির সিদ্ধান্ত
চারিদিকে সবাই যখন বলছে বাঁচবোনা বাঁচবো না, কথাটা আমিও মেনে নিলাম। হাল ছেড়ে দিলাম বেঁচে থাকার। পৃথিবী থেকে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করলাম। অপেক্ষা শুধু কখন বিদায়ের ঘন্টা বাজবে।
#সাতকানিয়া_লোহাগাড়া_চন্দনাইশ যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী প্রোগ্রাম উপজেলার সকল দায়িত্বশীল এবং আজীবন সদস্য দের উপস্থিতির মধ্যে সুন্দর এবং মনোরম পরিবেশে সম্পূর্ণ হল।
শুরুটা ছিলো মাত্র আট হাজার টাকা প্রথম পোষ্ট থেকে আমার অর্ডার আসে দশ হাজার টাকার। যদিও অর্ডার আমার আরও বেশি ছিলো কিন্তু অজানা দুটি ভয় থেকে আমি নিতে পারিনি। প্রথম ভয় ছিলো আমার পুঁজি মাত্র আট হাজার
তারপর তারিখ এবং সময় মতো সবাই চলে আসলো।অনেক দিন পর সবাই একসাথে অনেক খুশি সবাই।অনেক আড্ডা দিলো তারা।যার বিয়ে তাকে নিয়ে অনেক মজা করলো😁।কি কি করবে,কি কি অনুষ্ঠান হবে সব কিছু জেনে নিলো।কে কবে যাবে সেটাও ব
যখন হসপিটালে যেতাম নার্সদের ডাক্তারদের দেখতাম তখন আমার মনে হতো আমিও যদি লেখাপড়া কন্টিনিউ করতাম তাহলে আমিও ডাক্তার হতাম,তখনতো শুধু ডাক্তার হওয়ার চিন্তা মাথায় থাকতো, মাঝে মাঝে নার্সদের সাথে কথা বলতাম...
এ নশ্বর পৃথিবীতে কেউ চির স্থায়ী নয়।সবাইকে একদিন ছেড়ে যেতে হবে এ পৃথিবীর ছেড়ে।আমরা এই অল্প সময়ে বিভিন্ন রকমের স্বপ্ন দেখি আর স্বপ্নের পূরনের লক্ষ্যে প্রতি নিয়ত দিন রাত পরিশ্রম করি।কেউ সফল হচ্ছে কেউ বা
দুর্দান্ত সিলেটের ১০০তম সেশন চর্চা কে স্মরণীয় রাখতে অফলাইনে একটি চমকপ্রদ সেলিব্রেশন প্রোগ্রাম এর আয়োজন করি।
করোনা লকডাউনের ভিতরে , দীর্ঘ সময় পর আমরা "ঝিনাইদহ জেলা টিম" জরুরী প্রয়োজনে একত্রিত হয়েছি। স্বরণ করেছি প্রিয় "ইকবাল বাহার জাহিদ" স্যারকে , ঝিনাইদহ জেলা টিমের ভাই বোনদের কে সর্বপরি "নিজের বলার মতো একটি
২০০২ সালে আমার দাখিল/ এস এস সি পরীক্ষা শুরু , আমার জিবনে ৩ মাাস প্রাইভেট টিউটর পেয়েছি মাএ। সাইন্স বিভাগের স্টুডেন্ট ছিলাম রোল নং ছিল ২,শরু হলো পরীক্ষা তখনকার শিক্ষা মন্ত্রী ছিলেন এহসানুল হল মিলন,কি
আজ ২২/১০/২০২১ ইং রোজ শুক্রবার রোজ শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত ঢাকার মিরপুর-১ নং এলাকার ক্যাপিটাল টাওয়ার মার্কেট এর 4C Classy Chinese & Convention Center এর শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত
দূরন্ত রাজশাহী জেলা টিমের ফিজিক্যাল মাসিক মিটআপ আলহামদুলিল্লাহ সুন্দর ভাবেই সমাপ্তি হয়েছে।
একদিন হুজাইফা এক পাখি ওয়ালার থেকে ৪ টা কোয়েল পাখি কিনে করে,, আমি ছোট একটা খাঁচা কিনে দেই। আমাদের বাসার পিছনের দিকে একটি দরজা ছিলো, বারান্দার মতো ওইখানে, এলোভেরা, মরিচ, টমেটো প্লাস্টিকের বোতলে লাগিয়েছি
জীবন যদি রংধনু হয়, তবে তুমি হলে তার রঙের বাহার, জীবনে যদি নামে আঁধার, তুমি হয়ে উঠো তার আশার আলো।
Bahar is teaching his 20th batch with an exceptional record of around 1800 days of consecutive workshops for free on entrepreneurship, previously unseen in Bangladesh. He has been awarded for organizi
২য় বার যখন জ্ঞান ফিরে পাই তখন ইর্মাজেন্সিতে নাকে মুখে পাইপ অক্সিজেন হাত পা ব্রেডের সাথে বাধা পরে জানতে পারি বেচারা রিক্সাওলা সহ তিন জনই এ প্রথিবীতে নেই, আমি স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারবো এমন বিশ্বাস ছিল
নামঃ মোহাম্মদ লিমন ব্যাচঃ ৬ষ্ঠ রেজিঃ ৬৬৪ ব্লাড ঃ( ও+) আলহামদুলিল্লাহ ১১তম ডান । সবাই দোয়া করবেন বেশি বেশি ভাল কাজ করতে পারি মত।
মানুষ মানুষের জন্য, নিজের বলার মতো একটা গল্প সকলের জন্যে
স্ট্যাটাস অফ দা ডে হওয়ার মাধ্যমে পাওয়া, সোড হওয়ার মাধ্যমে যেটা সবচেয়ে বেশি পেয়েছি সেটা হল ভালোবাসা, এই ভালোবাসার পরিবারের প্রিয় ভাই ও বোনেরা সোড ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে অনেকেই অভিনন্দন জানায় যাদ
আজ আমি এখানে এসেছি খুব বেশি দিন হয়েনি এই অল্প সময়ে আমাকে দেখে দুজন বোনও শুরু করেছে এবং আমার কাছে যখন যেভাবে পরামর্শ চেয়েছে আমি তাদের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি
মা, বাবার প্রথম সন্তান আমি , আপনারা সকলেই জানেন মা, বাবার প্রথম সন্তান অনেক আদরের হয়। আমি সেই সৌভাগ্যবান একজন । আসলে ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি, সবায় না, আমার আসে পাশে কিছু কিছু বাবার বড় ছেলেরা । কি
জীবনে অনেক পেয়েছি সব পাওয়ার মাঝে নিজের জীবনের গল্প লিখে স্টেটাস অফ দ্যা ডে হওয়ার মতো কিছু পাওয়ার অনুভুতি তা সেদিন আমার জীবনের প্রথম এক ঐতিহাসিক পাওয়া বলে মনে হয়েছিল। সেই সুন্দর তম স্ট্যাটাস অফ দ্যা ড
বিশেষভাবে উল্লেখ্য করা যেতে পারে, ঢাকাসহ সারা দেশের সরবরাহকৃত পানির মান নিয়ে সম্প্রতি এক জরিপ চালায় বিশ্ব ব্যাংক। সেখানে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ প্রায় ৮২%. তবে চাইলে এই পানি ফিল্টারের মাধ্যমে শতভাগ ব
আমরা দেশ থেকে মনে করি কী প্রবাস কত যে আনন্দময়। কত যে টাকা আছে, আসলে প্রবাসে যারা আসে তারই বুঝতে পারে প্রবাসীদের কত কষ্ট। কত মেহনত করে অর্থ উপার্জন করতে হয়। সেই সময়ে এখান কার তাপমাত্রা ও ছিল পরিমাণের
এতো বিশাল একটা আয়োজন খুব অল্প সময়ের মধ্যে পরিকল্পনা করে বাস্তবায়ন করার জন্য ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসা জানাচ্ছি প্রিয় ফাউন্ডেশনের সন্মানিত ঢাকা জেলা এম্বাসেডর ও মডারেটর Md Roni ভাই সহ লালবাগ জো
আমি নতুন।আমার কাস্টমার কিন্ত নতুন না। আমার কাস্টমার যে কয়েকজন সবাই আমার রিপিট কাস্টমার। আমি এতেই খুশি। আমি প্রচার করতে পারি না লজ্জা লাগে।আমার হয়ে আমার কাস্টমাররাই প্রচার কে দেন।
বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রবাস থেকে যিনি সার্বিক ভাবে সব সময় আমাদেরকে মানবিক এবং সামাজিক কাজ করার জন্য সব সময় উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রতিটি কাজের সার্বিক তদারকি করে যাচ্ছেন নোয়াখালী জেলার অহংকার Abd
একদিন বাজারে আগুণ লাগে। অনেকগুলো দোকানের সাথে সাথে ওই দোকানটা ও পুড়ে যায়। তারপর দোকানদারের কান্না দেখে খুব মন খারাপ হলো। ভাবলাম কি করা যায়। ওনার সাথে কথা বললাম কদিন পর। উনি আবার শুরু করতে চাচ্ছেন, কিন
২০১৯ সালে আমি আবার মাটিরাংগা ফিরে আসি। এখানে অনেকেই বাঁশ ও প্লাস্টিকের বেতির দ্বারা মোড়া বানায়,যা ব্যাপারি এসে কিনে নিয়ে যায়। আমিও এই কাজ টা পারি সেই ক্লাস সেভেন থেকে। আমিও বানাতাম মায়ের সাহায্য নিয়ে