বউরে, বড় ভালোবাসি তোমারে... এখনো তুমি যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, কখনো কখনো তোমার কপালে আলতো চুমু খেয়েছি। তোমার অন্তরাত্মা তোমাকে বলেনি বোধহয়!
প্রশ্নটা শুনে কিছুক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। আসলে চট করে কোন কিছুকে সংজ্ঞায়িত করে দেওয়া যায় না। বা উচিত ও না। অনেক টা ধীরস্থির হয়ে বসলাম সদ্য কিশোরে পা দেওয়া দূরন্ত মেয়েটার সামনে। তার চোখে মুখে কৌতুহল উপচে প
"দি ইনক্যাপ" এর মার্চ ২০২০ সংখ্যায় "নিজের বলার মত একটা গল্প" নিয়ে প্রচ্ছদ ও কাভার স্টোরি
হঠাৎ করে একদিন চোখে পড়ে প্রিয় স্যারের একটা ভিডিও। দেখে অনেক ভালো লাগলো। তার পর প্রায় সময় এরকম অনেক ভিডিও আসত। তখন একাধারে সব গুলো ভিডিও দেখতে থাকি । কিন্তু আমি ফেসবুক এত বেশি চালাতাম না।
১৬ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ফরিদপুর জেলা টিমের শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি
তাই অনেকেই গ্রাম অঞ্চল ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে পাড়ি জমায় যাতে করে তাদের রাজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে পারে যাতে করে তাদের রাজ্য আরও সমৃদ্ধ হতে পারে।। কিন্তু তারপরও রাজাকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাদের রাজ
আমি একজন উদ্যোক্তা। শুধু তাই নয় আমি একজন চাকরিজীবী ও বটে, আমি জানি চাকরির পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তাকে কতটা কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। আর এই কঠিনতা সহজ করার একটাই উপায় ইতিবাচক মনোভাব, চিন্তা, আত্ম
গতকাল ছিল আমাদের উদীয়মান রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিটআপ।এই মিটাপ উপলক্ষ্যে আমরা সবাই একত্রিত হয়েছিলাম বইমেলায়। প্রথমে আমরা বইমেলায় ঘুরাঘুরি করি তারপর সবাই গিয়ে বসি একটা খোলা জায়গায়।যেখানে আমাদের উ
আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব মাসুম আহামেদ উপ পরিচালক,যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর,চুয়াডাঙ্গা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংবাদিক সোহেল তামজিদ হিরো।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর উদ্দীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উদ্যোক্তা ভাইয়া আপুদের নিয়ে "আনন্দ নৌভ্রমন"।
জেনে খুশী হবেন যে সেই শূন্য থেকে শুরু করে আজ আমি বাগেরহাট টাইগার্স টিম এর ৭ জনে মিলে তৈরী হওয়া একটা যৌথ কোম্পানির একজন গর্বিত ওনার।
আমাদের পাবনা জেলার অফলাইন মিটআপে উপস্থিত সবাইকে পাবনা জেলার পক্ষ থেকে প্রান ভরা শুভেচ্ছা। আজকের মিটআপের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত রূপ বর্ননা করছি M. A. Al Mamun (ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসিডর পাবনা)
মানুষ মানুষের জন্য, নিজের বলার মতো একটা গল্প সকলের জন্যে
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত সুন্দর এবং গোছানোভাবে সম্পন্ন হয়েছে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত চট্রগ্রাম জেলার অন্তর্গত ফটিকছড়ি উপজেলার পক্ষ থেকে ইফতার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল।
মাথা ঠিক মতো কাজ করছিলো না। কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। এমন সময় প্রিয় মেন্টর ও শিক্ষক জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিদিনের সেশনগুলো আমাকে নতুনভাবে বাঁচতে শিখিয়েছে।
ঢাকায় চাকরি নিলাম কোম্পানিতে, মাইক্রো ফাইবার গ্রুপে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে। যদিও তখন চাকরি করার ইচ্ছা ছিল ছয় মাস । কিন্তু সেই চাকরির বয়স এখন প্রায় তিন বছর । ভাবতাম পরের অধিনস্থ হয়ে চাকরি না কর
সকল সমস্যার উর্ধ্বে আলহামদুলিল্লাহ আয়োজন সফল। আয়োজনে ছিলো ১০০তম সেশন আলোচনা আর প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ। ছিলো মোটিভেশন কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। ছিলো সকল দায়িত্বশীলদের আন্তরিকা, ছিলো সকল ভলান্টিয়ারদের
টিকেট এর আনন্দ মানেই টিকেট মেলা তারই প্রতিচ্ছবি হিসাবে আজকের কিছু সুন্দর মুহূর্ত| আপনাদের হাতে টিকেট পৌছে দিত্ব প্রতিটি জেলায় টিকেট মেলা হচ্ছে..
যখন ই প্রতিযোগিতা মূলক কোন আয়োজন হয় তখনই কিন্তুু মানুষের আগ্রহ বাড়ে। কে না চায় সেরা হতে। তাই প্রত্যেকে যে যার জায়গা থেকে সেরা লেখাটা দেওয়া চেষ্টা করে আসছে। অনেকের হয়ত ব্যস্ততার জন্য লেখার ইচ্ছে টা ন
স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী লিজেন্ড ধানমন্ডি জোন মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে আমাদের আসন্ন মহাসম্মেলন এর টিকেট কেনার উৎসব পালন করা হয়। অনেকেই তাৎক্ষণিক ভাবে টিকেট স
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা এবং মানুষ কে আরো স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা, মানুষের পাশে থাকা, ফাউন্ডেশনকে যেভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সে মোতাবেক কাজ করে যাওয়া
প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এত সুন্দর একটা প্লাটফর্ম তৈরি করে দেয়ার জন্যে।
একটা আজব চিন্তার যুক্তি আমি কিছুতেই খুঁজে পাইনা! কিছু প্রশিক্ষণ থাকার জন্য একটা বিজনেসএর সাথে স্বল্প পরিমানে যুক্ত আছি স্টুডেন্ট অবস্হা থেকেই,তবুও আমি নিজেকে পুরো বেকার বলেই দাবি করতাম কারন, সেই কাজ
গুড়ার একজন অসহায় গৃহহীনকে ১টা ঘর বানিয়ে দেয়া হয়েছে - ২০১৯ # ২ জন গরীব তরুণকে ৫০,০০০ টাকা ও অন্য ৪ জনকে ২৫,০০০ টাকা করে মূলধন দিয়ে ব্যবসা দাড় করতে সাহায্য করা হয়েছে - ২০১৮। # দেশের ৬৪ জেলায় সবাই মিলে
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের" ঈদ পুনর্মিলনী ও উদ্যোক্তাদের অফলাইন মিট-আপ খুব চমৎকার ভাবে সফল হয়েছে।
আমি মানবিক কুষ্টিয়া জেলার ছেলে। আমার নিজের জেলাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার লহ্ম্যে কাজ করতেছি। তাই প্রিয় প্লাটফর্ম এর সকল ভাই ও বোনেরা আপনাদের দোয়া ও ভালবাসা পেলে আমি অনেক দূরে এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। আ
কষ্ট, কান্না, দুঃখ, বেদনা এই রমজানে সব ঘুচে যাক আর ফিরে আসুক সুখ, আনন্দ, হাসি। আগত ঈদকে সামনে রেখে #আল্লাহর কাছে এটাই প্রার্থনা করছি যেন আল্লাহ আমাদের গুনাহকে মাফ করে এই কাজের উছিলায় নাযাতের ফয়সালা কর
১৯৯৮ সালে পারি দেই প্রবাসে। খরচ হলো ১ লাখ টাকা । কাজ ছিলো রাস্তা ঝাড়ুদার। বেতন ছিলো তিন হাজার টাকা।কন্ট্রাক ছিলো তিন বছর ।১০/১২ ঘন্টা ডিউটি করার পর বাহির হতাম রাস্তাতে ভাংঙ্গা চূড়া টোকাইতে। ২/৩ ঘন
যেগুলো সত্যি আমাকে মুগ্ধ করছে।আমি যদি আরো আগে এই ভালো মানুষের পরিবারে আসতে পারতাম হয়তো আরো ভালো কিছু করতে পারতাম।স্যারের এক একটা সেশন আমাদের কে নতুন করে বিজনেস আইডিয়া,, ভালো মানুষ হওয়া,,,,
অজস্র পুষ্পবৃষ্টি আর লাল গালিচা সম্বধনায় অতন্দ্র গাজীপুর জেলা বরণ করে নিলো লক্ষ তরুণ্যের স্বপ্নদ্রষ্টা লক্ষ ভালোমানুষের ও শত সহস্র উদ্দ্যোক্তার কারিগর প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারকে
আমি পিঠা বানাই আমার নিজের করা গুড়ি দিয়ে। ধান থেকে চাউল করে সেই চাউল থেকেই গুড়ি করি,,সব চেয়ে বড় কথা এত গুলো প্রসেসিং আমি নিজ দ্বায়িত্বে করি,,অন্য কারো মাধ্যমে ও নয়। আন্টি আমি গুড়িও সেল করি,, আপনার ইচ্ছ
কিছু ভালবাসা, কিছু স্মৃতি আর কিছু কষ্ট যা মানুষের সবসময় মনে থাকবে। ভালবাসা এমন একটা অনুভূতি যেটা কারো সাথে সারাজীবন থেকেও আসে না। আবার কারো সাথে হয়তো কিছু মুহুর্তই যথেষ্ট যা কখনো জোর করে হয় না।😥😥 ক
দুঃখের সমুদ্র পাড়ি দিলেই আশায় আলোর চিকচিকে বালুচরে সোনালী রোদ উপভোগ করা যায়। সময়ে সাথে সাথে আমার অবস্থার পরিবর্তন হল, ভাইদের হাল না ছেড়ে ঘুড়ে দাঁড়ানোর তীব্র প্রচেষ্টায় আজ আমাদের অবস্থা ফিরেছে
এ গ্রুপ থেকে আমি প্রতি নিয়ত শিখছি নতুন নতুন ব্যবসার টেকনিক। পেয়েছি সাহস, ভালোবাসা। এবং ভলেন্টিয়ার করার দক্ষতা সমাজিক মানবিক সকল ধরনের কার্যক্রম কিভাবে করতে হয় এগুলো শিখেছি সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেল
৬৪ জেলার বিখ্যাত খাবার পণ্য মেলা নিয়ে প্রস্তুতি মিটআপ এবং নবীন বরণ উপলক্ষে লালবাগ জোন সফল একটা
ঈদুল আজহা আমাদের শেখায় শেয়ার করতে। ঠিক তার ব্যতিক্রম নই, মিরপুর মডেল জোন কর্তৃক কোরবানি মাংস রান্না করে প্রতিবেশীদের সাথে এবং গরীবদের সাথে ভাগ করা হয়। সকল ভাঙা বন্ধন মেরামত করে সবার সাথে ভালোবাসা
কিন্তু হায় ৩ দিন চলে যায়, ৪ দিন চলে যায়, কোন মেসেজ নেই, এদিকে বাসায় কাস্টমার আসে ড্রেস গুলো নিতে চায় আমি দেইনা,বলি এগুলো বিক্রি হয়ে গেছে। এতগুলো ড্রেস এভাবে রেখে দেওয়া ঠিক হচ্ছে কিনা বুঝতেও পারছিনা।
❤️❤️❤️বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম❤️❤️❤️ ❤️আমার নিজের জীনের গল্প সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলো❤️ ❤️❤️❤️আসসালামু আলাইকুম❤️❤️❤️ 🌹🌹কেমন আছেন সবাই? আশা করছি ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমিও অন
সকলের সুন্দর উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত একটা মিটআপ ছিল। আজকে চট্টগ্রাম জেলাকে এগিয়ে নিতে সবার পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করা হয়।
প্রতিটি মানুষের শৈশব হাসি আনন্দ আর খেলাধুলায় কাটে।ঠিক তেমন আমার ছোট বেলা ছিল আনন্দ মুখরিত। সবার ছোট থাকায় সবার অনেক আদরের ছিলাম। আল্লাহর রহমতে কখনও কিছুর অভাব করি নাই।
কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব,ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে, যিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তিলে তিলে করে তুলেছেন আমাদের সবার প্রিয় প্ল্যাটফর্ম নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
অামরা সবাই উদ্যোক্তা হতে চাই। অামাদের প্রিয় মেন্টর সকলের অনেক প্রিয় একজন মানুষ, জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অামাদের জন্য প্রতিদিন অনেক পরিশ্রম করেন শ্রম দেন, সময় দেন। এই সবকিছু শুধু যেন অামরা সকলে ভ
একজন উদ্যোক্তার বিশেষ করে পুরুষ উদ্যোক্তার প্রতিটা দিনই অনেক রকম চ্যালেঞ্জের সঙ্গে পার করতে হয়, একজন পুরুষ বিজনেস করতে পারে সমাজের চোখে এটাই যেন অনেক বড় একটা অপরাধ, আশেপাশের মানুষগুলোর বাঁকা দৃষ্টি ব
আসসালামু আলায়কুম, সবাইকে জানাই এই রামাদান মাসের শেষ দিকে রামাদান মোবারক। আশা করি সবাই আল্লাহ রহমতে ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ
কেক কেটে বরণ করা হয় বেগমগঞ্জ উপজেলা এম্বাসেডর মেহেদী হাসান রাফি ভাই কে আলহামদুলিল্লাহ আমি নিজে উপস্থিত হতে পেরে ভালো লাগছে বেগমগঞ্জ উপজেলার কার্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে মতবিনিময় করা হয়,
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল (১১/১১/২০২৩) ছিল আমার প্রাণের শহর বাণিজ্য নগর চট্টগ্রামে #উদ্যোক্তা মিলন মেলা, অনেক প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চমৎকার একটি আয়োজন সু-সম্পন্ন হল।
অত্যন্ত সুন্দর উচ্চমৎকার ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রাজবাড়ী পাংশা উেজেলা মিটআপ
সুখ নিয়ে, কষ্টের মাঝে বর্তমানে আমার মা এখন সুখী, তার ছেলে বড় হয়ে গেছে এখন ইনকাম করে. দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে. এখন আর অভাব নাই . আমার স্বামীর বাড়িতেও অভাব নাই. ছেলে দুইটা আমাকে নিজের মা ভাবে ওদের
প্রথম বার রক্তদান করার সময় মা জানতে পেরেছিলেন তখন তিনি অনেক দুশ্চিন্তা করছিলেন সাথে বাবা।
পরিবারের বাবা,মা,ভাই,বোন, আত্মীয়-স্বজন বউ বাচ্চার জন্য। দিনের পর দিন চলে যায় প্রবাসে। তাদের অর্ধেক জীবনটা প্রায় প্রবাসে জীবনে কাটিয়ে দিতে হয় বছর এর পর বছর। পায়ের ঘাম মাথায় ফেলে টাকা উপার্জন করতে হ